Viva Voce

আবার সেই ইঞ্জিনীরিং পড়ার সময়কার গল্প। পড়াশোনা বাদে সবই করা হচ্ছে ঠিক ঠাক - না, এটা সত্যি কথাটা বলা হল না। ডিপার্টমেন্টাল সাবজেক্ট গুলো তাও পড়াশোনা করতাম - কারণ চার বছর বাদে ডিগ্রীটার মূল্য বোঝা যাবে চাকরির বাজারে। সেই সময় যদি ট্রান্সফরমার এর থ্রী ফেইস না বলতে পারি, তাহলে তো চাকরিটা হবেই না, তার উপরে ...

Kitchen

কলকাতা তে শুভ আসে চাকরির সূত্রে। তাদের আদি বাড়ি জলপাইগুড়ি - কিন্তু দুর্গাপুরে পড়াশোনা করে কলকাতায় আসে সে প্রায় ১২ বছর আগে। প্রথম প্রথম শহরের ধাক্কাটা ভালো লাগেনি - সবাই খুব ব্যস্ত - কেউ ভালোভাবে কথা বলে না, এবং তার চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর হলো গিয়ে যানজট। ঢাকুরিয়াতে বাড়ি ভাড়া করে থাকা - কিন্তু সেই সল্টলেকের ...

Gopal

সবে চাকরিতে তখন ঢুকেছি। কলেজের দরজা থেকে চাকরির দুনিয়াতে লাফ দেওয়াটা একটা বিরাট ব্যাপার সবার জন্য। সুবিধার চেয়ে প্রথম প্রথম অসুবিধার সংখ্যাটা বেশি চোখে লাগতো। কলেজের স্বাধীনতা নেই - বরঞ্চ একটা গন্ডির মধ্যে সব সময় থাকা - এইটা বেশ ধাক্কা লাগে আগে। কলেজে প্রথম ক্লাস শুরু হতো ১০.২০ তে - তাও সেটা আবার বেশির ভাগ ...

AC + DC

প্রথমেই বলে রাখি যে এটি আমার লেখা নয়। লেখকের নামও জানি না। এটা এসেছিল আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে whatsapp এর মাধ্যমে - পড়ে এত ভাল লাগল যে হুবহু এখানে দিয়ে দিলাম (যাকে আজকের দিনে বলে কপি পেস্ট)। আর কথা না বাড়িয়ে এইবার এই লেখাটার আনন্দ নিন: ================================================================ সেই গপ্পোটা হয়তো শুনেছেন। খেঁকুরে অধ্যাপকের "বল ...

Hublot

বিশ্বকাপ চলছে। কলকাতার চারিদিকে তুমুল উত্তেজনা। এমনিতেই সবাই জানে এই সময় শহরটা ইস্ট বেঙ্গল - মোহন বাগান ভুলে গিয়ে তখন ব্রাজিল - আর্জেন্টিনা তে বিভক্ত হয়ে যায়। লোকে তখন নিজের টিমের খবর না রেখে অন্যদের খবর বেশি রাখে - কারণ সেই বুঝে স্ট্রাটেজি করে তর্কাতর্কি করতে হবে। নেইমার গোল পায়নি ? তাহলে মেসি একটা দুটো ...

প্রকৃতির ডাক !

সেইদিন অবিরাম বৃষ্টি পরে যাচ্ছে। মুষলধারে বৃষ্টি। একদম বর্ষা কালের মাঝে - তাই কেউ যে খুব অবাক হয়ে যাবে, তার কোনো জো নেই। কলকাতায় তখন মেট্রো রেইলের কাজ হচ্ছে। এখনকার কাজ নয় - একদম দেশের প্রথম মেট্রোর কাজ। একে একটু বেশি শিশির পড়লেই রাস্তায় জল জমে যেত - এই খোঁড়াখুঁড়ির মধ্যে প্রচন্ড বর্ষা, তাতে কলকাতা ...

পেট্রল পাম্প

এই পূজার পর আমার এক নিকট আত্মীয়র সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। মিষ্টি মুখের বদলে একটু নোনতা মুখ করতে করতে এমনি কথা বার্তা হচ্ছিল। কথা হতে হতে ছোটবেলার কথা উঠে এল। মনে রাখবেন যে মাথার চুলে যদি পাঁক ধরাটা দেখতে আর আশ্চর্য না লাগে, তখন পুরনো দিনের কারুর সঙ্গে দেখা হলে বেশির ভাগ সময় ছোটবেলার কথাই ...

বিজয়ার ভালোবাসা জানানোর আগে চিন্তা করে নেবেন প্লিজ …

মনটা ভারাক্রান্ত। হওয়াটাই স্বাভাবিক। সবে মাত্র মা দূর্গা রওনা হয়েছেন শশুড়বাড়ির দিকে এবং তার সঙ্গে এই বছরের দূর্গা পূজা শেষ। তবে আর মাত্র ৩৫০ দিনের অপেক্ষা পরের পূজার জন্য। বাঙালি তার প্রথা অনুযায়ী বিজয়ার আদান প্রদানে এখন ব্যস্ত আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে। চলছে কোলাকুলি, চলছে মিষ্টি মুখ - তারই মধ্যে বৌয়েরা কটমট করে তাকিয়ে থাকছে ...

“ঠান্ডা নেই”

ছোটবেলা থেকেই প্রচন্ড দুরন্ত সমীর। স্কুলে গার্ডিয়ান কল হত প্রায় মাসে একবার করে। বন্ধু বান্ধবের মধ্যে ঝগড়াটা হওয়াই স্বাভাবিক, কিন্তু প্রত্যেকবার যদি সেই ঝগড়া শেষ হয় হাতাহাতি দিয়ে, তাহলে তো একটু মুশকিল হবেই। সমীরের বাবাও আর পারেননি শাসন করতে - প্রত্যেকদিন ছেলেকে মেরে মেরে ওনার নিজের রাগ যেমন বাড়তে থাকে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রেসার ...

ছোট বাথরুম

সেই বছর অফিসের কাজে এদিক ওদিক খুব ঘুরতে হচ্ছে। একদিকে যেমন নতুন জায়গা বা নতুন শহর দেখার আনন্দ থাকে, অন্যদিকে একটা ক্লান্তিও চলে আসে যদি সপ্তাহে প্রায় তিন দিন বাইরে থাকতে হয়। তা নতুন একটা শহরে পৌঁছেছি বরফ পড়ার মধ্যে। সালটা হবে বোধহয় ২০১৩। একে ল্যাজ বিশিষ্ট বাঙালি যারা ১৭ ডিগ্রী তে মাংকি কাপ পড়তে ...